কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ এ ০৩:২০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
অর্জন সমূহ :
১৯৭২ সালে- নারী পূনর্বাসন বোর্ড গঠন করা হয়।
১৯৭৪ সালে-নারী পূনর্বাসন বোর্ডকে নারী পূনর্বাসন ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনে উন্নীতকরণ করা হয়।
১৯৮৪ সালে- বাংলাদেশ নারী পূনর্বাসন ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন, মহিলা বিষয়ক কোষ এবং জাতীয় মহিলা উন্নয়ন একাডেমীকে
একীভূত করে মহিলা বিষয়ক পরিদপ্তর গঠন করা হয়।
১৯৯০ সালে- মহিলা বিষয়ক পরিদপ্তকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়।
সাম্প্রতিক বছর সমূহের (৩বছর) প্রধান অর্জন সমূহ:
বিশ্বায়নের এ যুগে প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারীর অধিকার, ক্ষমতায়ন ও কর্মবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি অত্যাবশ্যক। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর রাষ্ট্র ও সমাজের মূল স্রোতধারায় নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। গত ৩ বছরে ভিডাব্লিউবি কার্যক্রমে ২০৬০০ জনকে ২২২৪৮ মেঃ টন খাদ্য সহায়তা, ৮৪৮৪ জনকে মাতৃত্বকালীন ভাতা, ৩১০০ জনকে ল্যাকটেটিং ভাতা সহায়ত, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২৯৬৯ জনকে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। ১৮৩৫ জন নারীকে ১৭৩৪৬২৯৮/- টাকা ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করা হয়েছে। ৪২০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সাহায্য প্রার্থী মহিলাদের আইনি সহায়তা দেয়া হয়েছে। জয়িতা অন্বেষণেবাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় ৫টি ক্যাটাগরীতে ৭৪ জনকে জয়িতা নির্বাচন ও পুরস্কৃত করা হয়েছে। উদ্যোমী ও আগ্রহী নারীদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২২০ টি সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। বাল্য বিয়ে নিরোধে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণকে নিয়ে সচেতনতা মূলক সভা সমাবেশ,সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ৯০% বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়ন কল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা-২০১৩ অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে।